1. stbanglatv@stbanglatv.com : stbanglatv : stbanglatv
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
গ্রামে নেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দুই কিলোমিটার হেঁটে স্কুলে যায় দুই শতাধিক শিশু - Stbanglatv.com
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:২৩ অপরাহ্ন

গ্রামে নেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দুই কিলোমিটার হেঁটে স্কুলে যায় দুই শতাধিক শিশু

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ১ Time View

হুমায়ূন রশিদ জুয়েল স্টাফ রিপোর্টার

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার তালজাঙ্গা ইউনিয়নের ইদিলপুর ও বান্দুলদিয়া গ্রামে নেই কোনো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। চার হাজারের বেশি মানুষের বসবাসের এই দুই গ্রামের দুই শতাধিক শিশুকে প্রতিদিন প্রায় দুই কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে কুন্দ্রাটি ও কার্তিকখিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যেতে হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে গ্রাম দুটির মাঝামাঝি একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়ে আসলেও এখনো কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বর্ষা মৌসুমে কাদামাটির রাস্তা পেরিয়ে শিশুদের বিদ্যালয়ে যাতায়াতের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। এতে অনেক সময় বিদ্যালয়ে পৌঁছাতে দেরি হয় এবং উপস্থিতিও ব্যাহত হয়।

বিদ্যালয় দূরে হওয়ায় অনেক অভিভাবক সন্তানদের কাছাকাছি কিন্ডারগার্টেনে ভর্তি করতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে সরকারি বিদ্যালয়ে বিনা খরচে পড়াশোনার সুযোগের পরিবর্তে পরিবারগুলোকে মাসিক বেতনসহ অতিরিক্ত ব্যয় বহন করতে হচ্ছে।

বান্দুলদিয়া গ্রামের প্রবীণ বাসিন্দা হাজী রমজান আলী বলেন, বহু বছর ধরে তিনি গ্রামে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখছেন। জীবনের শেষ সময়ে এসে গ্রামের শিশুদের জন্য একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হতে দেখাই তাঁর সবচেয়ে বড় আনন্দ হবে।

স্থানীয়রা জানান, বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবিতে একাধিকবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করা হয়েছে। ইদিলপুর গ্রামের আবদুল কদ্দুস ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর আবেদন করেন। পরে ২০২৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর বান্দুলদিয়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত ক্যাডেট কলেজ কর্মকর্তা শাহ আবুল হাশেম (মানিক) একই দাবিতে আবেদন করেন। তবে এখনো দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি।

ইদিলপুর গ্রামের বাসিন্দা ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রযোজক সাদিকুল ইসলাম নিয়োগী পন্নী বলেন, দুই গ্রামের মাঝামাঝি একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হলে শিশুদের শিক্ষার সুযোগ অনেক সহজ হবে।

তাড়াইল উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এনামুল হক বলেন, ইদিলপুর ও বান্দুলদিয়া গ্রামের মাঝামাঝি একটি বিদ্যালয় থাকা প্রয়োজন। তবে বর্তমানে সরকারিভাবে নতুন করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুযোগ নেই। চাইলে একটি কিন্ডারগার্টেন প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে এবং এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।

এলাকাবাসীর দাবি, দুই গ্রামের দুই শতাধিক শিক্ষার্থীর শিক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হোক। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুযোগ না থাকলে অন্তত একটি মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ব্যবস্থা করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2023

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি