1. stbanglatv@stbanglatv.com : stbanglatv : stbanglatv
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
ম্যাক্স হাসপাতালের মালিকানা নেই, অভিযোগের জবাব দিতে প্রস্তুত ডা. ইসমাইল - Stbanglatv.com
শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:২০ পূর্বাহ্ন

ম্যাক্স হাসপাতালের মালিকানা নেই, অভিযোগের জবাব দিতে প্রস্তুত ডা. ইসমাইল

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬
  • ১৪ Time View

 

এনামুল হক নাসিম , চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি :

২৫০ শয্যাবিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট (অর্থোপেডিক্স) ডা. মো. ইসমাইল হোসেন দাবি করেছেন, সরকারি হাসপাতালে চাকরির পাশাপাশি বেসরকারি ম্যাক্স হাসপাতালের মালিকানা থাকার অভিযোগ সঠিক নয়। তিনি জানান, ২০২৫ সালের ৩০ আগস্ট থেকেই তিনি ম্যাক্স হাসপাতালের সব শেয়ার ও মালিকানা তাঁর বন্ধু মো. রবিউল ইসলাম (রবি)-এর কাছে হস্তান্তর করেছেন। তাই বর্তমানে হাসপাতালটির সঙ্গে তাঁর কোনো মালিকানা বা শেয়ার নেই।

এর আগে সরকারি হাসপাতালে কর্মরত অবস্থায় বেসরকারি হাসপাতালের মালিকানা থাকার অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ডা. ইসমাইল হোসেনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করে। গত ৫ জুলাই ২০২৬ জারি করা প্রজ্ঞাপনে তাঁকে পত্রপ্রাপ্তির ১০ কর্মদিবসের মধ্যে অভিযোগের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী কেন তাঁর বিরুদ্ধে উপযুক্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। জানা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হারুনুর রশীদের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন যে, ডা. ইসমাইল সরকারি হাসপাতালে চাকরি করেও হাসপাতালের বিপরীতে অবস্থিত ম্যাক্স হাসপাতালের অংশীদার। অভিযোগটি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হলে স্বাস্থ্য বিভাগের তদন্ত কমিটি সরেজমিনে তদন্ত করে এবং তাদের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিভাগীয় কার্যক্রম শুরু হয়।

তবে ডা. ইসমাইল হোসেন বলেন, সরকারি চাকরির বিধিমালা সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরই তিনি নিজের মালিকানাধীন পাঁচটি প্রাইমারি শেয়ার বন্ধু মো. রবিউল ইসলাম (রবি)-এর কাছে হেবা (দানপত্র) দলিলের মাধ্যমে হস্তান্তর করেন। তিনি বলেন, “চাকরি বিধির প্রতি সম্মান দেখিয়েই গত বছরের আগস্টে আমার সব শেয়ার বন্ধুর কাছে দিয়ে দিই। বর্তমানে ম্যাক্স হাসপাতালে আমার কোনো মালিকানা বা আর্থিক স্বার্থ নেই।” হেবা দলিল সূত্রে জানা গেছে, সরকারি চিকিৎসক হিসেবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অংশীদার থাকা আইনগতভাবে নিষিদ্ধ হওয়ায় কোনো প্রকার আর্থিক প্রতিদান ছাড়াই তিনি তাঁর সব শেয়ার বন্ধুর কাছে স্থায়ীভাবে হস্তান্তর করেন। দলিলে উল্লেখ রয়েছে, ২০২৫ সালের ৩০ আগস্ট থেকে এই হস্তান্তর কার্যকর বলে গণ্য হবে এবং এরপর থেকে ওই শেয়ার থেকে প্রাপ্ত সব ধরনের অধিকার, লভ্যাংশ ও সুবিধা গ্রহীতা ভোগ করবেন। দলিলটি চলতি বছরের জানুয়ারিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জজ আদালতের নোটারি পাবলিক কার্যালয়ে সম্পাদিত ও সত্যায়িত হয়। ডা. ইসমাইল আরও বলেন, গত ৩ জুন তদন্ত কমিটি পরিদর্শনে এলেও তাঁর কাছে কোনো কাগজপত্র চাওয়া হয়নি। ফলে তদন্তে পুরোনো নথির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রয়োজনীয় দলিল-দস্তাবেজসহ লিখিত জবাব স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দেবেন বলে জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, “আমি নির্দোষ। প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্রসহ অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত আছি। আশা করি প্রকৃত তথ্য বিবেচনায় ন্যায়সঙ্গত সিদ্ধান্ত হবে।”

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2023

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি