1. stbanglatv@stbanglatv.com : stbanglatv : stbanglatv
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
ইটনা সরকারি কলেজের জমি দখলের অভিযোগ, বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে  - Stbanglatv.com
বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৫ অপরাহ্ন

ইটনা সরকারি কলেজের জমি দখলের অভিযোগ, বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে 

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৪ Time View

 

 

মোহাম্মদ রাসেল:(ইটনা-মিটামইন-অষ্টগ্রাম) কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলায় অবস্থিত ইটনা সরকারি কলেজের জমি দখলকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে কলেজের সম্পত্তি দখলের অভিযোগ উঠেছে।

 

অভিযোগ রয়েছে, তার ভাতিজা মাহমুদুল হাসান মাজহারুল ‘পৈত্রিক সম্পত্তি’ দাবি করে কলেজ সংলগ্ন পুকুর ও জমিতে সাইনবোর্ড স্থাপন করেছেন। একই সঙ্গে পুকুরের চারপাশে বেষ্টনী নির্মাণ এবং সিমেন্টের পিলার স্থাপনের কাজও শুরু হয়েছে। এতে করে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

 

জানা যায়, গত ২৩ মার্চ পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটির সময় কলেজ বন্ধ থাকার সুযোগে এই দখল কার্যক্রম শুরু করা হয়। সরেজমিনে দেখা গেছে, কলেজ সংলগ্ন বড় পুকুরটির পাড়ে মালিকানা দাবি করে সাইনবোর্ড টানানো হয়েছে এবং সেখানে স্থাপনা নির্মাণের কার্যক্রমও চলছে।

 

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর কলেজের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। অনেকেই এটিকে পরিকল্পিতভাবে কলেজের সম্পত্তি দখলের চেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তবে রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে অনেকেই প্রকাশ্যে মন্তব্য করতে অনীহা প্রকাশ করছেন।

 

কলেজ সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৮ সালে স্থানীয় শিক্ষানুরাগীদের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এই কলেজটি ২০১৬ সালে সরকারিকরণ করা হয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সংশ্লিষ্ট পুকুর ও জমি কলেজের দখলে রয়েছে এবং পুকুরটি লিজের মাধ্যমে কলেজের আয়ের অন্যতম উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। কিন্তু হঠাৎ করে প্রায় এক একর জমির মালিকানা দাবি তুলে দখল কার্যক্রম শুরু হওয়ায় কলেজের একাডেমিক পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

 

কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রভাষক মো. কামরুজ্জামান বলেন, শুরু থেকেই এই সম্পত্তি কলেজের দখলে রয়েছে। এখন হঠাৎ ব্যক্তিগত মালিকানার দাবি তুলে সাইনবোর্ড স্থাপন করায় প্রতিষ্ঠানটির স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

 

অভিযোগের বিষয়ে এস এম কামাল হোসেন বলেন, আমাদের পরিবারের এখানে কিছু জমি রয়েছে। অতীতে আমাদের কিছু জায়গা কলেজের নামে ব্যবহার করা হয়েছে। যে জমি নিয়ে কথা হচ্ছে, সেটি আমার আত্মীয়দের দাবি। তারা আদালতের মাধ্যমে রায় পেয়েছে বলেই দখলে যেতে পারে। তবে এ বিষয়ে আমি বিস্তারিত জানি না এবং সরাসরি জড়িত নই।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2023

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি