1. stbanglatv@stbanglatv.com : stbanglatv : stbanglatv
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
চীনা জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কিনছে বাংলাদেশ, উদ্বিগ্ন ভারত - Stbanglatv.com
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০১:১৩ অপরাহ্ন

চীনা জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কিনছে বাংলাদেশ, উদ্বিগ্ন ভারত

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬
  • ৩১ Time View

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্টঃ
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর আধুনিকায়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে চীনের তৈরি ২০টি জে-১০সিই (J-10CE) মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান সংগ্রহের উদ্যোগ দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত পরিবেশে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। প্রায় ২.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের এই সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ঘিরে আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
প্রতিরক্ষা বিষয়ক বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্যমতে, বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদি সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিমান বাহিনীর পুরোনো যুদ্ধবিমান ধাপে ধাপে প্রতিস্থাপনের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। এ উদ্যোগ দেশের আকাশসীমা সুরক্ষা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।
জানা গেছে, চুক্তির অর্থ দীর্ঘমেয়াদি কিস্তির মাধ্যমে পরিশোধের ব্যবস্থা রাখা হতে পারে। পাশাপাশি যুদ্ধবিমান সরবরাহের সঙ্গে প্রশিক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ, লজিস্টিক সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় অস্ত্রব্যবস্থাও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের এই সিদ্ধান্ত ভারতের নিরাপত্তা মহলেও নজর কাড়ছে। বিশেষ করে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় অঞ্চল ও শিলিগুড়ি করিডোরের কৌশলগত গুরুত্বের কারণে নতুন যুদ্ধবিমান সংযোজনকে দিল্লি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে।
জে-১০সিইকে আধুনিক ৪.৫ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এতে উন্নতমানের রাডার, দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের সক্ষমতা এবং নেটওয়ার্কভিত্তিক যুদ্ধ পরিচালনার প্রযুক্তি রয়েছে। ফলে এটি আকাশযুদ্ধে কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের বড় একটি অংশ দীর্ঘদিন ধরেই চীন থেকে সংগ্রহ করা হচ্ছে। সাবমেরিন, ট্যাংক, নৌযান ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার পর এবার আধুনিক যুদ্ধবিমান যুক্ত হলে দুই দেশের সামরিক সহযোগিতা আরও গভীর হতে পারে বলে পর্যবেক্ষকদের ধারণা।
তবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রতিরক্ষা ক্রয়কে দেশের সার্বভৌম নিরাপত্তা চাহিদার অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এ ধরনের সিদ্ধান্ত কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে নয়; বরং জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির কৌশলগত পরিকল্পনার অংশ।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দক্ষিণ এশিয়ায় সামরিক আধুনিকায়নের প্রতিযোগিতা ক্রমেই বাড়ছে। ফলে ভবিষ্যতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, কূটনীতি এবং সামরিক ভারসাম্যের ক্ষেত্রে নতুন সমীকরণ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2023

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি