
নেত্রকোনা প্রতিনিধি,
একটি আবাসিক ছাত্রাবাস ও বিভিন্ন সমস্যার কারণে মানবেতর জীবনযাপন করছে নেত্রকোণার আটপাড়া উপজেলার দেওশ্রী গ্রামের আলহাজ্ব নূরুল আমীন কাওমী হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিম খানার শিক্ষার্থীরা।২০০৩ সালে নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া উপজেলার সুখারী ইউনিয়নের দেওশ্রী পাড়া স্থাপিত হয় মাদ্রাসাটি।
বর্তমানে আবাসিক-অনাবাসিক মিলিয়ে সেখানে রয়েছে ২৫০ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে এতিম ও দুস্ত অসহায় হতদরিদ্র রয়েছে। ১১ জন শিক্ষক ও একজন বাবুর্চি দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে এই মাদ্রাসাটি।বাহিরে থেকে মাদ্রাসাটি পরিপূর্ণ দেখা গেলেও ভিতরে এর অবকাঠামোর প্রয়োজন রয়েছে উন্নয়নমূলক কাজের।
এদিকে খাবারের জন্য বিশেষ কোনো ব্যবস্থা নেই প্রতিনিয়ত বারান্দায় খাবার পরিবেশন করতে দেখা যায়।
ক্লাসরুমের উপরের চালের ফুটোর কারণে বর্ষাকালে বৃষ্টিতে ভিজে দিনযাপন করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।
মাদ্রাসাটির রয়েছে একটি কবরস্থান তার নেই কোন বাউন্ডারি।
ক্লাসরুমে পাঠদান শেষে এখানেই গাদাগাদি করে ঘুমাতে হয় শিক্ষার্থীদের। তাই মাদ্রাসাটিতে অতি জরুরী হয়ে পড়েছে একটি ছাত্রাবাসের ও একটি বাউন্ডারির,খাবার পরিবশনের ঘর, রান্না ঘর মেরামত করারও প্রয়োজন।
মাদ্রাসার ভিতরে প্রবেশের জন্য নেই কোন পাকা রাস্তা। তাই বর্ষার সময় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদেরসহ সকলকে মাদ্রাসার ভিতরে যেতে হয় কাঁদা পানি পেরিয়ে।
মাদ্রাসার মোহতামিম মাওলানা আব্দুল কাদির
মাদ্রাসা কমিটির -সভাপতি সহ সভাপতি অনন্য সদস্যর
এক কথায় বলা যাচ্ছে বর্তমানে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কষ্টে জীবন-যাপন করছে মাদ্রাসার এতিম ও দুস্ত অসহায় শিশুরা।
এই গ্রামের এক দানবীর ওয়াক সূত্রে অত্র হাফিজিয়া ও এতিমখানা মাদ্রাসাটি করা হয়েছে। ৮০ ভাগ লোকেই হত দরিদ্র।সরকারি যতটুকু বরাদ্দ আসে তা দিয়ে এতিমদের ভরণপোষণ সহ দোস্ত দরিদ্র অসহায় ছাত্রদের তিন বেলা খাবারে লেগে যায় বাজারের দ্রব্যমূল্যের যে উদ্যগতি।
এমতাবস্থায় সরকারসহ সমাজের বিত্তবানরা মাদ্রাসাটি পাশে দাড়ালে এই অসহায় এতিম ও দুস্ত অসহায় শিশুদের মুখে আনন্দের হাসি ফুটবে এমনটাই প্রত্যাশা।
© All rights reserved © 2023
Leave a Reply