
রফিক ঢালী শ্রীপুর উপজেলা প্রতিনিধি।
প্রায় দীর্ঘ একযুগের বেশি সময় ধরে ক্ষমতার বাইরে থাকা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির দুঃসময়ের তৃণমূলের কর্মীবান্ধব নেতা, শ্রীপুর উপজেলা বিএনপি’র হাজারো নেতাকর্মীকে স্বপ্ন দেখিয়েছেন যে ব্যক্তি, দূর সময়ে রাজপথে থেকে মামলা, হামলা, জেল জুলুমের শিকার, হাজারো নেতাকর্মী নিয়ে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনকে একত্রিত করে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন, শ্রীপুর উপজেলার তৃণমূলের বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আক্তারুল আলম মাস্টার। দলের দুঃসময়ের সাহসী কান্ডারী হিসাবে শ্রীপুর উপজেলায় নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা। সকল আন্দোলন সংগ্রামে দুর্দিনে নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে অভিভাবক হিসেবে ছিলেন, তিনি বর্তমানে শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। তার সাহসী ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে শ্রীপুর উপজেলা বিএনপিসহ সকল অঙ্গ সংগঠনকে একত্রিত করে সংগঠনকে শক্তিশালী করার ভূমিকা রেখেছিলেন। বর্তমানে তৃণমূলের কর্মীদের একটায় দাবি, সুসময় বহু অতিথি নেতারা শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির রাজনীতিতে দেখা গেলেও দুর্দিনে তাদেরকে দেখা যায়নি, দলের যে কোনো বিপর্যয়ের সময় গাজীপুরের শ্রীপুরের রাজপথ থেকে শুরু করে ঢাকার রাজপথে দলের আন্দোলন সংগ্রামে প্রথম শাড়ির ভূমিকা রেখেছেন মুহাম্মদ আক্তারুল আলম মাস্টার। পাশাপাশি মামলা হামলায় আহত অবস্থায় হাসপাতালে থাকা নেতাকর্মীদের পাশে একমাত্র আক্তারুল আলম মাস্টারেই ছিলেন। স্বৈরাশাসনামলে দলের দুঃসময়ে দীর্ঘ ১৭ বছর আওয়ামী ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারের নির্যাতন, হামলা মামলায় একাধিকবার কারাবরণ করেছেন তিনি। আক্তারুল আলম মাস্টার শহীদ জিয়ার আদর্শে আদর্শিত হয়ে এবং বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে ছাত্র জীবন থেকেই বিএনপির রাজনৈতির সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি তেলিহাটি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি হিসেবে একাধিকবার দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং সহকারী শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের কেন্দ্রীয় কমিটির আহবায়কের দায়িত্ব সুনামের সহিত পালন করে যাচ্ছেন। মুহাম্মদ আক্তারুল আলম মাস্টার তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে দলকে সুসংগঠিত করতে দিন রাত মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছেন। তার নেতাকর্মীরা এসটি বাংলা টিভি কে জানান, বিএনপি’র দুঃসময়ে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারের আমলে মামলা হামলায় ভয়ে অনেক সিনিয়র নেতাই যখন এলাকা ছাড়া, তখন তিনি বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন থেকে শুরু করে পাড়া মহল্লার দলীয় নেতাকর্মীদের কে সাথে নিয়ে দলকে সুসংঘটিত ও শক্তিশালী করতে নিরলস ভাবে কাজ করে গেছেন। যার কারণে শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির একজন ত্যাগী ও সফল রাজনৈতিক কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে ইতিমধ্যে পরিচিত লাভ করেন, শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। বিগত দিনে বিএনপির আন্দোলন সংগ্রামে নেতাকর্মীদের নিয়ে রাজপথে উপস্থিত থেকে নেতৃত্ব দিতেন আক্তারুল আলম মাস্টার। অনেক মামলার আসামি হয়ে দিনের পর দিন মাসের পর মাস বছরে পর বছর এবং যুগ পেরিয়েও নেতাকর্মীদের নিয়ে আদালতের বারান্দায় সময় কাঠিয়েছেন তিনি। বিএনপির রাজনৈতিতে এসে অনেক নির্যাতনের শিকার হন তিনি এবং একাধিকবার কারাবরণ করেন। তিনি শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দায়িত্বে আসার পরেও ক্ষমতার স্বাদ এখনো পাননি। বিএনপির রাজনীতি করার কারণে অনেকবার শ্রীপুর ছাড়তে হয়েছে তাকে এবং বাড়িঘর খুইয়েছেন তিনি। স্বৈরশাসন আওয়ামী পুলিশ বাহিনী দিয়ে বিভিন্নভাবে দফায় দফায় হয়রানি শিকার হন তিনি। তাই তৃণমূলের নেতাকর্মীরা বলেন, বিগত সময়ে আক্তারুল আলম মাস্টার আমাদের মাঝে ছিলেন। তার মতন কর্মীবান্ধব নেতা শ্রীপুর উপজেলায় দেখতে চাই। ইনশাআল্লাহ আগামী দিনে শ্রীপুর উপজেলায় পরিছিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তি মুহাম্মদ আক্তারুল আলম মাস্টার আমাদের মাঝে নতুন নেতৃত্ব নিয়ে আসবেন।
© All rights reserved © 2023
Leave a Reply