1. stbanglatv@stbanglatv.com : stbanglatv : stbanglatv
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
কটিয়াদীতে বাবার মৃত্যুর পর ঢোল-বাঁশি, ছেলের কর্মকাণ্ডে চাঞ্চল্য - Stbanglatv.com
রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ন

কটিয়াদীতে বাবার মৃত্যুর পর ঢোল-বাঁশি, ছেলের কর্মকাণ্ডে চাঞ্চল্য

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬
  • ১ Time View

আব্দুল রউফ ভুঁইয়া কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী পৌর এলাকায় বাবার মৃত্যুর পর ঢোল-বাঁশি বাজিয়ে আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি করাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা দেখা দেয়। পরে মৃত ব্যক্তির ছেলে প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

রোববার (৭ জুন) কটিয়াদী পৌর এলাকার বাসিন্দা শামসুদ্দিন মারা যান। পরিবারের সদস্যরা তার দাফনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় তার ছোট ছেলে খাইরুল ইসলাম বাড়িতে ঢোল-বাঁশির আয়োজন করেন বলে স্থানীয়রা জানান।

ঘটনাটি দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক জনতা বাড়ির সামনে ভিড় করেন। স্থানীয়দের একাংশ বিষয়টিকে ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের সঙ্গে অসঙ্গত বলে মন্তব্য করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে মরদেহের জানাজা নিয়েও অনীহা প্রকাশ করেন কয়েকজন এলাকাবাসী।

পরে স্থানীয় আলেম-ওলামা, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন। তাদের পরামর্শে খাইরুল ইসলাম সবার কাছে ক্ষমা চান। এরপর স্বাভাবিকভাবে জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়।

স্থানীয় ইমাম মাওলানা তফাজ্জল হক রাশেদীন বলেন, মৃত্যু মানুষের জীবনের চূড়ান্ত সত্য। এ সময় ধৈর্য ধারণ, দোয়া ও মরহুমের জন্য ক্ষমা প্রার্থনাই ইসলামের শিক্ষা। তিনি সবাইকে ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের প্রতি সচেতন থাকার আহ্বান জানান।

এদিকে খাইরুল ইসলাম দাবি করেন, তার বাবা জীবদ্দশায় মৃত্যুর পর অতিরিক্ত শোক না করার কথা বলেছিলেন। সেই ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটাতেই তিনি এমন আয়োজন করেছিলেন। তবে তার আচরণে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে তিনি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন।

ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা হলেও শেষ পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2023

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি