
জাকিয়া বেগম বিশেষ প্রতিনিধি
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ৮ নং সাখুয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যেই উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। এই নির্বাচনে মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে এলাকায় ব্যাপক আলোচনায় উঠে এসেছেন হাফেজ মাওলানা ইসরাফিল হুসাইন আশরাফি (সাদ্দাম)। স্থানীয়ভাবে মোহাম্মদ সাদ্দাম সরকার নামেই তিনি অধিক পরিচিত এবং সাধারণ মানুষের কাছে তিনি একজন সৎ, পরিশ্রমী ও মানবিক মানুষ হিসেবে সুপরিচিত।
শৈশব থেকেই ধর্মীয় শিক্ষায় বেড়ে ওঠা ইসরাফিল হুসাইন আশরাফি একজন হাফেজ ও মাওলানা হিসেবে সুদীর্ঘ সময় ধরে সমাজে ধর্মীয় শিক্ষা বিস্তারে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি শুধু ধর্মীয় শিক্ষায় সীমাবদ্ধ নন, বরং সমাজ উন্নয়নমূলক নানা কর্মকাণ্ডেও নিজেকে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত রেখেছেন। একাধিক সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তিনি ইতোমধ্যেই একজন দক্ষ সংগঠক ও সমাজসেবক হিসেবে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করেছেন।
শিক্ষাক্ষেত্রে তার অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তিনি দুটি মাদ্রাসার মোহতামিম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অসংখ্য শিক্ষার্থীকে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষায় গড়ে তুলছেন। একজন ইমাম ও খতিব হিসেবে নিয়মিত জুমার খুতবা ও বিভিন্ন মাহফিলে বয়ান প্রদান করে তিনি সমাজে নৈতিকতা, মানবিকতা ও ইসলামের সুমহান আদর্শ প্রচারে কাজ করে যাচ্ছেন। তার সাবলীল ভাষা, যুক্তিপূর্ণ বক্তব্য এবং সুললিত কণ্ঠ তাকে একজন জনপ্রিয় বক্তা হিসেবে পরিচিতি এনে দিয়েছে।
শুধু ধর্মীয় অঙ্গনেই নয়, ছাত্রজীবনেও তিনি ছিলেন সক্রিয়। কালিয়াকৈর ডিগ্রি কলেজের সাবেক ছাত্রনেতা হিসেবে তিনি শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায় ও বিভিন্ন ইতিবাচক কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ছাত্রজীবনের সেই অভিজ্ঞতা তার বর্তমান নেতৃত্বগুণকে আরও পরিপক্ব করেছে বলে মনে করেন এলাকাবাসী।
এছাড়াও, তিনি একজন লেখক হিসেবে বিভিন্ন সামাজিক, নৈতিক ও ধর্মীয় বিষয় নিয়ে লেখালেখি করে থাকেন, যা সমাজ সচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে। তার এই বহুমুখী প্রতিভা ও সমাজমুখী কাজের জন্য ইতোমধ্যেই তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।
স্থানীয় জনগণের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা একজন যোগ্য, সৎ ও দায়িত্বশীল প্রতিনিধিকে নির্বাচিত করতে আগ্রহী। তাদের প্রত্যাশা, হাফেজ মাওলানা ইসরাফিল হুসাইন আশরাফি (সাদ্দাম) নির্বাচিত হলে এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষা বিস্তার, ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
সর্বোপরি, একজন ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, সংগঠক, শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক হিসেবে তার যে অভিজ্ঞতা ও গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে, তা তাকে এই নির্বাচনে একজন শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এখন দেখার বিষয়, ভোটের মাঠে জনগণের রায় শেষ পর্যন্ত কাদের পক্ষে যায়।
© All rights reserved © 2023
Leave a Reply