
অনলাইন ডেস্ক রিপোর্টঃ
মানবিক ও আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ কথা জানান।
তিনি বলেন, শহর ও গ্রাম উভয় অঞ্চলে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা, মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করা এবং রোগ প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, পর্যায়ক্রমে প্রায় এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে, যাদের অধিকাংশই নারী। এছাড়া প্রতিটি নাগরিকের জন্য ই-হেলথ কার্ড চালু, জটিল রোগের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পাবলিক-প্রাইভেট অংশীদারিত্ব (পিপিপি) ব্যবস্থা চালু, স্বাস্থ্যবিমা কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণায় জোর দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন ও ব্যয় সহনীয় রাখতে প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম চলবে এবং ধীরে ধীরে স্বাস্থ্যখাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বার্তায় প্রধানমন্ত্রী ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, মানুষ, প্রাণী ও পরিবেশ—এই তিনটির সুস্থতা পরস্পরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। তাই সমন্বিত গবেষণা ও প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে টেকসই স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি।
প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্যসেবার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR), অগমেন্টেড রিয়েলিটি (AR), কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং মেশিন লার্নিং (ML)-এর মতো প্রযুক্তির ব্যবহার স্বাস্থ্যসেবায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে, যা দ্রুত ও নির্ভুল রোগ নির্ণয়ে সহায়ক হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘সবার জন্য স্বাস্থ্য’ নিশ্চিত করা সরকারের অঙ্গীকার। স্বাস্থ্যসেবা কোনো বিলাসিতা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার।
বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি সুস্থ, সবল ও মানবিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
© All rights reserved © 2023
Leave a Reply