
জেলা প্রতিনিধি, নেত্রকোনা
নেত্রকোনার সদর উপজেলার ১১নং কেগাতী ইউনিয়নে জমি-জামা বিষয়াদি ঝগড়ার জেরে বাড়ি ও মাদ্রাসা থেকে বের হওয়ার রাস্তায় গাছ গাছালি রুপন সহ জাল ও বড়ই কাটার বাঁশের বেড়া দিয়ে দশ পরিবারের সদস্যকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগ উঠেছে।
দীর্ঘ ছয় মাস ধরে এভাবে রাস্তায় বেড়া দিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশীর গ্রামের আঃখালেকের বিরুদ্ধে।
এতে পরিবরের শিশু-বৃদ্ধ ও দিনে প্রতিষ্ঠান মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের চলাচলের বিঘ্নতা সৃষ্টি হচ্ছে। গবাদিপশু বাড়ি থেকে বের করতে পারছেন না।
সদর উপজেলার ১১নং কেগাতী ইউনিয়নের বোবাহালা গ্রামে মো.আব্দুল লতিফ ওরফে লিটন মুন্সি পরিবার সহ দশটি পরিবার এভাবে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে।
অভিযুক্তরা হলেন-বাদে-দুধকুড়া গ্রামের মৃত নূর হোসেনের ছেলে আঃখালেক খান গংরা।
তবে অভিযুক্তরা অবরুদ্ধ করে রাখার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, ওই পরিবারের লোকজনের বের জন্য হওয়ার আরও রাস্তা আছে। না বলে জমি থেকে আইলের মাটি কাটার কারণে রাস্তা আটকেছেন। কোনো ঝগড়ার জেরে নয়।
সরেজমিন গিয়ে মোঃআব্দুল লতিফ ওরফে লিটন মুন্সি বাড়ির ও মাদ্রাসা সামনে চলাচলের রাস্তা গাছ গাছালি ও কাটা জাল এবং বাঁশ দিয়ে বেড়া দিয়ে আটকানো দেখা যায়।
ভুক্তভোগী বলেন, আমরা বৃদ্ধ মা, স্ত্রী, সন্তানসহ ১০ পরিবরের সদস্যরা।ত্রিশ বছর ধরে পরিবার ও এলাকা বাসী নিয়ে এই গ্রামে বসবাস করিছি। সামনের জমিটি আঃ খালেক গংদের। পাকা সড়ক পর্যন্ত যেতে তাদের জমির রাস্তা তাদের বাপ দাদার আমল থেকে রাস্তা ব্যবহার করে যেতে হয়।
জমির জামার মামলার জের ধরে, সেই কারণে গত ছয় মাস আমি সহ দশটি পরিবার বাড়ি থেকে বের হওয়ার রাস্তায় গাছ গাছালির রুপন সহ বড়ই কাটা জাল এবং বাঁশ দিয়ে বেড়া দিয়ে অবরুদ্ধ করে রেখেছে, আঃখালেক গং তার ভাইরা। তারা আমাকে বের হতে দিবেন না।ছয় মাস ধরে গ্রামের চেয়ারম্যান মেম্বার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের নিয়ে দেন দরবার করেও কোন উপকৃত হচ্ছে না,ধরে অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছি। এর থেকে পরিত্রাণ চাই।
একই গ্রামের স্থানীয় এলাকাবাসী বলেন, সমাজে এক সঙ্গে থাকতে গেলে সবাই সবার সহযোগিতা করা উচিত। পরিবার গুলোকে এভাবে পথ আটকে অবরুদ্ধ করা ঠিক নয়।
বাড়ি থেকে বের হওয়ার পথ খুলে দেওয়া উচিত।
অভিযুক্ত আঃ খালেক বলেন তাই এলাকার লোকজনের সামনেই রাস্তাটা বেড়া দেওয়া হয়েছে। কোনো ঝগড়ার কারণে নয়।
বিষয়টি অবহিত করলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন,অভিযোগ হাতে পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
© All rights reserved © 2023
Leave a Reply