
গোপালপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার নগদা শিমলা ইউনিয়নের দক্ষিণ পাথালিয়া গ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে নির্মাণাধীন ২০১ গম্বুজ মসজিদ ইতোমধ্যে দেশ-বিদেশে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অসংখ্য দর্শনার্থী মসজিদটি দেখতে আসছেন। বিদেশ থেকেও পর্যটকদের আগমন ঘটছে।
মসজিদটির প্রতিষ্ঠাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ রফিকুল ইসলাম দাবি করেন, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি স্বার্থান্বেষী মহল মসজিদকে ঘিরে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচার চালাচ্ছে। এতে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগার পাশাপাশি মসজিদের নির্মাণকাজ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তিনি এ ধরনের অপপ্রচার বন্ধে প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃত্ব, গণমাধ্যম ও সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
রফিকুল ইসলাম বলেন, “মসজিদ আল্লাহর ঘর। এর সঙ্গে কোটি কোটি মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি জড়িত। কিছু ব্যক্তি নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে না পেরে ফেসবুকে মসজিদ নিয়ে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর পোস্ট দিচ্ছে, যা ইসলাম ধর্মের অবমাননার সামিল।”
তিনি আরও বলেন, “২০১ গম্বুজ মসজিদ সম্পূর্ণভাবে বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থায়নে নির্মাণাধীন। বিদেশি কোনো সংস্থা বা সরকারের সরাসরি অর্থায়ন এখানে নেই। ফলে দুর্নীতির অভিযোগেরও কোনো ভিত্তি নেই। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং নির্মাণকাজে প্রতিবন্ধকতা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।”
প্রতিষ্ঠাতা বলেন, “মনে হচ্ছে, গোপালপুরকে বিশ্বদরবারে পরিচিত করা এবং স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করাই যেন আমার অপরাধ হয়ে দাঁড়িয়েছে।”
তিনি টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভুঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুদৃষ্টি কামনা করেন। একই সঙ্গে গোপালপুরের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখতে এবং ২০১ গম্বুজ মসজিদের নির্মাণকাজ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা চান।
এদিকে গোপালপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, “২০১ গম্বুজ মসজিদ নিয়ে অপপ্রচারের নিন্দা জানাই। এটি একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। মসজিদটি শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে গোপালপুরকে পরিচিত করেছে। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মানুষ এটি দেখতে আসেন। একটি স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে না পেরে মসজিদ নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এতে গোপালপুরের সুনাম ক্ষুণ্নঘঘ হচ্ছে।”
© All rights reserved © 2023
Leave a Reply