1. stbanglatv@stbanglatv.com : stbanglatv : stbanglatv
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
মিঠামইনে কাটখাল ইউপি চেয়ারম্যানের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ইমাম ও খতিবদের সংবর্ধনা প্রদান - Stbanglatv.com
বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ন

মিঠামইনে কাটখাল ইউপি চেয়ারম্যানের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ইমাম ও খতিবদের সংবর্ধনা প্রদান

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬
  • ১২ Time View

 

প্রতিবেদক,সাগর আহমেদ মিঠামইন:

কিশোরগঞ্জের হাওরবেষ্টিত প্রত্যন্ত ভাটি অঞ্চল মিঠামইন উপজেলার কাটখাল ইউনিয়নে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে এক ব্যতিক্রমী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কাটখাল ইউনিয়ন পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান জনাব তাজুল ইসলামের নিজস্ব উদ্যোগে ইউনিয়নের সকল মসজিদের খতিব ও ইমাম সাহেবদের নিয়ে “সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান-২০২৬ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

কাটখাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় অনুষ্ঠিত এই জমকালো আয়োজনে ইউনিয়নের সর্বস্তরের ওলামায়ে কেরাম ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সমাজ গঠনে এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষায় ইমাম ও খতিবদের অবদানকে স্বীকৃতি দিতেই মূলত এই বিশেষ সম্মাননা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের বিবরণ

মো: বিল্লাল হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এই সংবর্ধনা সভায় সভাপতিত্ব করেন কাটখাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব ইসমাইল হোসাইন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও আয়োজক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাটখাল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব তাজুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে আগত ইমাম ও খতিবগণ চেয়ারম্যানের এই মহতী উদ্যোগের তীব্র প্রশংসা করেন। তারা বলেন, সাধারণত স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে এ ধরনের ধর্মীয় ও সামাজিক উদ্যোগ খুব একটা দেখা যায় না। ঈদের আগ মুহূর্তে ইমামদের এভাবে সম্মানিত করায় তারা অত্যন্ত আনন্দিত ও আপ্লুত।

ব্যাপক প্রশংসিত এই উদ্যোগ

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা পুরো মিঠামইন উপজেলা জুড়ে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও নেটিজেনরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।

অনেকেই মন্তব্য করেছেন—

“এমন একটি উদ্যোগ প্রত্যন্ত ভাটি অঞ্চল মিঠামইনের প্রতিটি ইউনিয়নে যদি নেওয়া হতো, তবে ধর্মীয় গুরুদের সম্মান আরও বৃদ্ধি পেত। পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে এমন একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়ার জন্য কাটখাল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব তাজুল ইসলাম সাহেবকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।”

এলাকাবাসীর মতে, এ ধরনের আয়োজন ইমাম ও খতিবদের সামাজিকভাবে আরও মর্যাদা দেবে এবং তাদের দায়িত্ব পালনে আরও উৎসাহিত করবে। অন্যান্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরাও যেন সমাজ গঠনে ইমামদের সম্পৃক্ত করতে এমন উদ্যোগ গ্রহণ করেন, সেই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সচেতন মহল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2023

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি