
অনলাইন ডেস্ক
দেশে পেট্রোল ও অকটেন উৎপাদনের ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন এলাকায় জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও সীমিত পরিমাণ তেল পাচ্ছেন গ্রাহকরা। কোথাও ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলে নির্দিষ্ট অঙ্কের বেশি তেল দেওয়া হচ্ছে না, আবার বরাদ্দ শেষ হয়ে গেলে কিছু পাম্প সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হচ্ছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এমন পরিস্থিতি আগে খুব কমই দেখা গেছে। অনেক চালককে মাঝপথে গাড়ি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ঠেলে পাম্পে আনতে হচ্ছে। এতে জনজীবনে ভোগান্তি বেড়েছে।
জানা গেছে, দেশে জ্বালানি তেলের মধ্যে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি হলেও বর্তমানে সংকট প্রকট হয়েছে পেট্রোল ও অকটেনে। অনেক পাম্পে ডিজেল সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও পেট্রোল ও অকটেনের ঘাটতি স্পষ্ট।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, দেশের গ্যাসক্ষেত্র থেকে পাওয়া কনডেনসেট প্রক্রিয়াজাত করে প্রতিদিন কয়েক হাজার ব্যারেল পেট্রোল ও অকটেন উৎপাদন করা হয়। ফলে মোট চাহিদার একটি বড় অংশ দেশীয়ভাবেই পূরণ সম্ভব। এছাড়া বছরে পেট্রোল ও অকটেনের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ চাহিদা স্থানীয় উৎপাদন ও পরিশোধনের মাধ্যমে মেটানো হয়।
তবে সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় সীমাবদ্ধতা, চাহিদা বৃদ্ধি এবং বণ্টন সংকটের কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, উৎপাদন থাকলেও সঠিক ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয় না থাকলে এমন সংকট দেখা দিতে পারে।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
© All rights reserved © 2023
Leave a Reply