
শফিকুল আলম সজীব দুর্গাপুর,নেত্রকোনা।
আসন্ন ঈদের আগেই নেত্রকোণার দুর্গাপুর ও কলমাকান্দা অঞ্চলের মানুষের জন্য এলো এক অবিস্মরণীয় খুশির খবর। দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্নের বাস্তবায়ন ঘটিয়ে এ অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সূচনা হতে যাচ্ছে।
গত ২৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় অনুমোদনের পর, গত ১৮ মে ২০২৬ তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা বিভাগের একনেক শাখা-১ থেকে এ সংক্রান্ত চূড়ান্ত সরকারি আদেশ জারি করা হয়েছে। ময়মনসিংহ বিভাগে পাঁচটি জলবায়ু সহনশীল সেতু নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এই ঐতিহাসিক উন্নয়নযজ্ঞ শুরু হতে যাচ্ছে।
সম্পূর্ণ প্রকল্পে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৩,৬৭৭.১৭২৫ কোটি টাকা এর মধ্যে সরকারি তহবিল (জিওবি) থেকে ৯১২.৩৭১২ কোটি টাকা এবং প্রকল্প ঋণ (আইএসডিবি) থেকে ২,৭৬৪.৭৯৯৩ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রকল্পটি ১ মে ২০২৬ থেকে ৩০ এপ্রিল ২০৩১ সালের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে।
অনুমোদিত ৫টি জলবায়ু সহনশীল সেতুর মধ্যে ১টি ধোবাউড়ায় এবং সিংহভাগ অর্থাৎ ৪টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মিত হতে যাচ্ছে দুর্গাপুর ও কলমাকান্দা এলাকায়। সেতুগুলো হলো:সোমেশ্বরী নদীর উপর দুর্গাপুর-কুল্লাগড়া সেতু,দুর্গাপুর-বিরিশিরি সেতু,বড়ুয়াকোনা মহাদেও নদীর উপর সেতু,লেংগুড়া গণেশ্বরী নদীর উপর সেতু।
মেগা বাজেটের এই ৪টি সেতু অনুমোদনের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই দুর্গাপুর ও কলমাকান্দার সাধারণ মানুষের মাঝে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এটিকে “ঈদের আগে অগ্রিম ঈদ উপহার” হিসেবে দেখছেন।
এ অঞ্চলের মানুষের স্বপ্নের এই দাবি পূরণে আন্তরিক প্রচেষ্টা ও দূরদর্শী নেতৃত্বের জন্য সর্বস্তরের জনগণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমান এবং দুর্গাপুর-কলমাকান্দার মাটি ও মানুষের মানবিক নেতা, মাননীয় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল মহোদয়ের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা, আন্তরিক ধন্যবাদ ও ভালোবাসা প্রকাশ করছেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই মেগা প্রকল্পগুলি উপজেলার ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষি, পর্যটন এবং সামগ্রিক জীবনযাত্রার মানকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে এবং বদলে দেবে গোটা অঞ্চলের অর্থনৈতিক চিত্র।
© All rights reserved © 2023
Leave a Reply