জাকিয়া বেগম বিশেষ প্রতিনিধি
ময়মনসিংহের নান্দাইলে চন্ডীপাশা ইউনিয়ন সাং লংপুর মোছাঃ জেসমিন আক্তার (৩৫) বাদী
হয়ে নান্দাইল মডেল থানায় ১টি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। ধর্ষণকারী আঃ রহিম (৬৫) পিতা মৃত আব্দুস ছমেদ সাং লংপুর চন্ডীপাশা ইউনিয়ন নান্দাইল।আসামী আঃ রহিম আমার প্রতিবেশি মামা শ্বশুর। পাশাপাশি বাড়ীতে বসবাস করি। জেসমিনের স্বামী লাকরীর ব্যবসা করে। জেসমিন দীর্ঘ দিন ধরে বাঁশহাটি গার্মেন্টসে চাকুরী করে। জেসমিনের মেয়ে বাড়ীর পার্শ্বে প্রগ্রাসী কিন্ডার গার্ডেন স্কুলে নার্সারীতে পড়ে। মেয়ে বেশি সময় বসত ঘরে একা থাকে। গত ৪ জুলাই রোজ বৃহস্পতিবার অনুমান সময় বেলা ১২ ঘঠিকার সময় জেসমিন গার্মেন্টসে ছিল স্বামী আল আমিন লাকরীর দোকানে ছিল। এমন সময় মেয়েকে বসত ঘরে একা পেয়ে আঃ রহিম আমার বসত ঘরে আসিয়া আমার মেয়েকে
একা পাইয়া যৌন কামনা চরিতার্থ করে মেয়ের স্তনে হাত দেয় মুখে কিস দেয় যৌনাঙ্গে হাত দেয়। এক পর্যায়ে যৌনাঙ্গের ভিতর আঙ্গুল দিয়ে যৌনপীড়ন করে। তখন মেয়ের ডাক চিৎকারে দেবর মাহাবুল আলম (৩০) আগাইয়া আসিতে
থাকিলে আাসামী আঃ রহিম মেয়েকে ছাড়িয়া দিয়া দৌড়াইয়া পালাইয়া যায়। পরবর্তীতে আমি এবং আমার স্বামী আল আমিন মেয়ের কাছে বিস্তারিত শুনে
নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা জন্য নিয়ে যাই। এ নান্দাইল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল মজিদ বলেন ধর্ষণের অভিযোগটি থানায় নথিভুক্ত করা হয়েছে।