আব্দুর রউফ দুদু গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধিঃ-
বাংলাদেশ কৃষক সমিতি ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগে বুধবার (৮ মে/২৪) প্রতিমণ ধানের মূল্য ১হাজার ৫শ টাকা, সরাসরি কৃষকের নিকট থেকে ধান ক্রয় ও ঢলতা প্রথা বাতিলের দাবিতে গৌরীপুর-বেখৈরহাটি সড়কের বীরআহাম্মদপুর ফকিরবাড়ির মোড় এলাকায় মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও কৃষক সমাবেশ করে।
মানববন্ধন ও কৃষক সমাবেশ সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কৃষক সমিতি গৌরীপুর শাখার সভাপতি মজিবুর রহমান ফকির। সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল হাসনাত। বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহ-সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন হেলিম, কৃষক মো. স্বপন মিয়া, ফখর উদ্দিন মাস্টার, হারুন অর রশিদ, লুত মিয়া, উজ্জ্বল মিয়া, উসমান গণি, শরিফুল ইসলাম প্রমুখ।
বক্তরা বলেন, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে এবছর উৎপাদন খরচ বাড়ায় প্রতিমণ ধানের মূল্য কমপক্ষে ১হাজার ৫শ টাকা করতে হবে, ধানের আড়ৎ ও মহাজনদের ঘরে প্রতিমণে ২/৩ কেজি বাড়িয়ে ঢলতা প্রথা চালু করে ৪০ কেজি মণের স্থলে ৪২/৪৩ কেজি ধান নিচ্ছে, এ প্রথা বাতিল করতে হবে। সরকার ঘোষিত মূল্যে ও শর্তে সাধারণ কৃষক খাদ্যগুদামে ধান বিক্রি করতে পারছে না, এখন প্রযুক্তি আছে, তা ব্যবহার করে কৃষকের জমি থেকে সরাসরি ভিজাধান ক্রয়ের দাবি জানাচ্ছি।গৌরীপুরে প্রতিমণ ধান ১৫শ টাকা ও ঢলতাপ্রথা বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন
গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি :
বাংলাদেশ কৃষক সমিতি ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগে বুধবার (৮ মে/২৪) প্রতিমণ ধানের মূল্য ১হাজার ৫শ টাকা, সরাসরি কৃষকের নিকট থেকে ধান ক্রয় ও ঢলতা প্রথা বাতিলের দাবিতে গৌরীপুর-বেখৈরহাটি সড়কের বীরআহাম্মদপুর ফকিরবাড়ির মোড় এলাকায় মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও কৃষক সমাবেশ করে।
মানববন্ধন ও কৃষক সমাবেশ সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কৃষক সমিতি গৌরীপুর শাখার সভাপতি মজিবুর রহমান ফকির। সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল হাসনাত। বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহ-সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন হেলিম, কৃষক মো. স্বপন মিয়া, ফখর উদ্দিন মাস্টার, হারুন অর রশিদ, লুত মিয়া, উজ্জ্বল মিয়া, উসমান গণি, শরিফুল ইসলাম প্রমুখ।
বক্তরা বলেন, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে এবছর উৎপাদন খরচ বাড়ায় প্রতিমণ ধানের মূল্য কমপক্ষে ১হাজার ৫শ টাকা করতে হবে, ধানের আড়ৎ ও মহাজনদের ঘরে প্রতিমণে ২/৩ কেজি বাড়িয়ে ঢলতা প্রথা চালু করে ৪০ কেজি মণের স্থলে ৪২/৪৩ কেজি ধান নিচ্ছে, এ প্রথা বাতিল করতে হবে। সরকার ঘোষিত মূল্যে ও শর্তে সাধারণ কৃষক খাদ্যগুদামে ধান বিক্রি করতে পারছে না, এখন প্রযুক্তি আছে, তা ব্যবহার করে কৃষকের জমি থেকে সরাসরি ভিজাধান ক্রয়ের দাবি জানাচ্ছি।