আহম্মদ কবির, তাহিরপুরঃভাইরালে ভাগ্য ফেরে,এমন অসংখ্য ঘটনার খবর বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।কোনো মানুষের অসহায়ত্ব গণমাধ্যমে আলোচনায় আসলেই মানবিকতা দেখাতে হৈচৈ পড়ে যায়,নানা উদ্দেশ্য নিয়ে প্রতিযোগিতার হাত বাড়াতে দেখা যায় অনেককেই। কিন্তু যারা আলোচনার বাইরে থেকে যায়,তাদের অন্তহীন কষ্ট কি শেষ হবে।কেউ কি দায়িত্ব নেমে বিভিন্ন হাটবাজারের আনাচেকানাচে পড়ে থাকা মানসিক ভারসাম্যহীনদের।
সম্প্রতি দেখা যায় সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের শ্রীপুর বাজারে এক অফিসের বারন্দায় কনকনে ঠান্ডায় ষাটোর্ধ এক অজ্ঞাত মানসিক ভারসাম্যহীন নারী অর্ধ-উলঙ্গ অবস্থায় শীতে কাপছে,পাঠের বস্তা গায়ে দিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে। তার কাছে গিয়ে নাম পরিচয় জানার চেষ্টা করলেও তিনি নির্বিকার হয়ে পাঠের বস্তা জড়িয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করছেন কিন্তু শীতের কাপনির কারনে ঘুমাতে পারছেন না।
এমনই আর কয়েকজন অজ্ঞাত মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে ওই বাজারে ময়লা-দুর্গন্ধ মিশ্রিত পোশাক পড়ে ঘুরতে দেখা যায়।সারাদিন শেষে ময়লা-দুর্গন্ধ শরীরে এই কনকনে ঠান্ডায় কেউ চেরাকাপড় গায়ে দিয়ে কেউ বা আবার পাঠের বস্তা গায়ে দিয়ে বাজারে বিভিন্ন দোকানের বা অফিসের বারন্দা ও অথবা রাস্তায় শুয়ে থাকতে দেখা যায়।তাদের এমন জীবনযাপনের সঙ্গী হতে দেখা গেছে বাজারে থাকা কুকুর -বিড়াল।পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে ধারণাহীন এসব মানসিক ভারসাম্যহীনদের এড়িয়ে যেতেই দেখা গেছে পথযাত্রীদের।
আবার এই বাজারে বসবাসরত কিছু মানুষের মানবিকতা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় সাবেক ইউপি সদস্যা হাজেরা বেগম এর চোখে পড়লেই সেবাযত্ন করেন বলেও জানাযায় ও এছাড়াও ওই বাজারের শামছুজ্জামান নামের এক পল্লী চিকিৎসক মাঝেমধ্যে তাদের বিভিন্ন চিকিৎসাও করেছেন বলেও জানাযায়। স্থানীয়রা মানসিক ভারসাম্যহীন এই মানুষদের নিরাপদ জায়গায় রেখে চিকিৎসা করানো জন্য সরকারি সংস্থাগুলোর প্রতি আহবান জানান।
এ ব্যাপারে ইয়াদুল্লাহ নামের এক পদযাত্রী জানান বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেখি এই মানুষের মধ্যে শীতের কম্বল বিতরণ করে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশ করছেন, যাদের মধ্যে কম্বল বিতরণ করা হয়,তারা স্বাভাবিক ভাবে সুস্থ ও কম্বল কিনার মতো সামর্থ্য আছে।কিন্তু এই মানসিক ভারসাম্যহীন মানুষরা কিছুই বুঝে না শুধু কষ্ট গুলো অনুভব করে।ওদের কষ্ট দূর করতে কেউ নেই