আবিদুল রহমান বাবুল স্টাফ রিপোর্টার
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে পুলিশের বিশেষ অভিযানে দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত এক আসামিসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই অভিযানে মাদক সেবন করে জনসাধারণের মধ্যে বিঘ্ন সৃষ্টির অভিযোগে আরও ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টা ১০ মিনিট থেকে সকাল ১১টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত চন্দনাইশ থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ।
চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমের দিকনির্দেশনায় এবং চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম দিদারুল ইসলাম সিকদারের নেতৃত্বে থানা পুলিশের একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযানে দায়রা-৩২/০৫ ও জিআর-২৫৫/০৪সহ বান্দরবান সদর থানার মামলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০-এর ২২(গ) ধারায় দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. ইদ্রিস মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি চন্দনাইশ উপজেলার বরকল সর্দারপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
এ ছাড়া চন্দনাইশ থানার একটি মামলায় পেনাল কোডের বিভিন্ন ধারায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি ফারুক এবং চুরি ও চোরাই মাল সংক্রান্ত মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. লোকমানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অন্যদিকে, মাদক সেবন করে জনসাধারণের মধ্যে বিঘ্ন সৃষ্টির ঘটনায় আরও ছয়জনকে আটক করা হয়। পরে মোবাইল কোর্টে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে মো. জিয়াউল হককে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা অর্থদণ্ড, মো. সোহেলকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা অর্থদণ্ড, মারজান উদ্দীনকে ৪৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা অর্থদণ্ড, আসিফুর রহমানকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা অর্থদণ্ড, মো. রিফাতকে ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা অর্থদণ্ড এবং মো. সাকিবকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ও দণ্ডপ্রাপ্ত নয়জনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে যথাযথ পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
চন্দনাইশ থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদক, অপরাধী ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।