অনলাইন ডেস্ক রিপোর্টঃ
নারায়ণগঞ্জের আলোচিত রয়েল রিসোর্টকাণ্ড নিয়ে নতুন করে ব্যাখ্যা দিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক। ঘটনার প্রায় পাঁচ বছর পর তিনি দাবি করেছেন, ওই সময় রিসোর্টে তার সঙ্গে থাকা নারী তার বৈধ স্ত্রী ছিলেন এবং ঘটনাটি রাজনৈতিকভাবে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
শনিবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত বক্তব্য তুলে ধরেন।
রিসোর্টে অবস্থানের দাবি
মামুনুল হক জানান, ২০২১ সালের ৩ এপ্রিল তিনি নারায়ণগঞ্জের রয়েল রিসোর্টের একটি কক্ষে স্ত্রীকে নিয়ে অবস্থান করছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় কিছু ব্যক্তি রিসোর্ট ঘেরাও করে এবং সেখানে প্রবেশ করে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ ও হয়রানি করে।
তিনি আরও দাবি করেন, ওই সময় বিভিন্ন গণমাধ্যম ঘটনাটি সরাসরি প্রচার করে এবং পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
বৈবাহিক সম্পর্কের ব্যাখ্যা
নিজের বক্তব্যে তিনি বলেন, জান্নাত আরা ঝর্ণার সঙ্গে তার শরিয়তসম্মত বিবাহ সম্পন্ন হয়েছিল এবং তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে একসঙ্গে ছিলেন। পারস্পরিক সম্মতিতেই এই সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও দাবি করেন, পারিবারিক ও সামাজিক জটিলতা এড়াতে বিষয়টি শুরুতে প্রকাশ করা হয়নি।
পরবর্তী সম্পর্ক ও বিচ্ছেদ
মামুনুল হকের দাবি অনুযায়ী, তাদের দাম্পত্য জীবন কয়েক বছর স্থায়ী ছিল এবং পরে পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে ২০২৫ সালের দিকে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
রাজনৈতিক মন্তব্য
তিনি অভিযোগ করেন, তৎকালীন সরকার ও বিভিন্ন সংস্থা ঘটনাটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে বিভ্রান্তি তৈরি করেছিল। তার মতে, ঘটনাটি তাকে ও তার রাজনৈতিক অবস্থানকে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা ছিল।
পটভূমি
২০২১ সালে রয়েল রিসোর্টকাণ্ডটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয় এবং তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি করে। দীর্ঘ সময় পর দেওয়া এই নতুন ব্যাখ্যার কারণে বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে।