অনলাইন ডেস্ক রিপোর্টঃ
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে পৃথক কারাগারের ‘কনডেম সেলে’ রাখা হয়েছে। সোহেলকে কেরাণীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে এবং স্বপ্নাকে কাশিমপুর মহিলা কারাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে।
কারা অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) মো. জান্নাত-উল ফরহাদ জানান, ফাঁসির অন্যান্য আসামিদের মতোই তাদেরও বিশেষ নিরাপত্তার মধ্যে রাখা হচ্ছে। তিনি বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের সাধারণত একা রাখা হয় না, কারণ রায়ের পর তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়তে পারেন এবং আত্মহত্যার ঝুঁকি থাকে। তাই একটি সেলে সাধারণত ২ থেকে ৫ জন আসামিকে রাখা হয়।
গত ৭ জুন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে সোহেল ও স্বপ্নাকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
ট্রাইব্যুনাল সূত্র জানায়, মামলার ৬৬ পাতার রায় ও নথিপত্র উচ্চ আদালতের ডেথ রেফারেন্স শাখায় পাঠানোর প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আইন অনুযায়ী, নিম্ন আদালতের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। একই সঙ্গে আসামিরা জেল আপিল ও ফৌজদারি আপিল করার সুযোগ পাবেন।
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বিশেষ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় দ্রুত সময়ের মধ্যে মামলার রায় হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, উচ্চ আদালতের কার্যক্রম শেষ হলে তিন মাসের মধ্যেই মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হতে পারে।