নেত্রকোনা থেকে,কামরুল হাসান
প্রতিপক্ষকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম, এখন মামলা থেকে বাচঁতে হাঁস ডাকাতি অপপ্রচারের নাটক ও সাজিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা,
নেত্রকোনার বারহাট্টায় পূর্ব শত্রুতা বিরোধে দুইজনকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে প্রতিপক্ষের লোকজন। এ ঘটনায় মামলা হলেও অভিযুক্ত কেউকে একমাসেও গ্রেপ্তার করতে পারিনি থানা পুলিশ। তবে জামিনে এসে নিজেদের অপরাধ ধামাচাপা দিতে ভুক্তভোগীর পক্ষকে ফাঁসাতে আসামিরা বিভিন্ন মিথ্যা অপপ্রচারের নাটক সাজায় হামলাকারীরা।
ভুক্তভোগীদের চাপে ফেলতে অপপ্রচারে নাটক সাজানো ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এলাকাবাসী
উপজেলার বাউসী ইউনিয়নের হারুলিয়া গ্রামে সম্প্রতি সময়ে এ ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী, মামলার অভিযোগ ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,হারুলিয়া গ্রামের বাচ্চু মিয়া পরিবারের সাথে বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল সুপন আহমেদ শেখের পরিবারের সাথে। বাচ্চু মিয়ার দাবি, এলাকায় একক ক্ষমতার দখলের চেষ্টা করে যাচ্ছিল বিএনপির নেতা সুপন ও তার স্বজনরা।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে স্থানীয় এলাকার ক্ষমতা নিজেদের হাতে নিতে পরিকল্পিতভাবে সুপন আহমেদকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিতে বাচ্চু সহ তাদের লোকজন রামদা দিয়ে কুপিয়ে সুপেন আহমেদ ও তার ভাইকে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করেন দাবি সুপন আহমেদ শেখের। পরে তাদের উদ্ধার করে প্রথম স্থানীয় হাসপাতাল পড়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসাপাতালে পাঠানো হয়।
এদিকে ঘটনার দিনই তার ভাই বাদী হয়ে প্রতিপক্ষের বাচ্চু মিয়া সহ ৮/৯ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা চেষ্টা মামলা দায়ের করেন।
এ মামলায় একমাস পেরিয়ে গেলেও এখন পযন্ত কেউকে গ্রেপ্তার করতে পারিনি থানা পুলিশ। অনেক আসামিরা পলাতক থেকে জামিনে এসেছে।
তবে আসামি পক্ষের লোকজন ভুক্তভোগীদের ফাঁসাতে কূটকৌশল অবলম্বন করছেন। ঘটনার ১মাস পর কিছু আসামিরা জামিনে নিয়ে এসে মামলা থেকে বাচঁতে বাদীপক্ষের উপর হাঁস ডাকাতি,অন্যের জমি দখল,এলাকায় দাপট,সাধারণ মানুষকে হয়রানি কথা বলে অপপ্রচারের মিথ্যা নাটক সাজান। এলাকায় প্রচার চালান সুপন আহমেদের দাপটে অসন্তুষ্ট এলাকাবাসী। সংবাদ করে বিচার দাবি করেন বাচ্চু গংরা।
এমন এক সংবাদের ভিত্তিতে সরেজমিনে হারুলিয়া গ্রামে গেলে এ বিষয়ে একাধিক জনের সঙ্গে কথা হয়। তারা বলেন, নিজেদের অপরাধ ঢাকতেই নাটক সাজানো হয়েছে।দপটের বিষয় এটি পুরোপুরি মিথ্যা।
সুপন আহমেদ বলেন, আমাদের করা মামলা থেকে বাঁচতে আসামিপক্ষ এমন অপপ্রচারের নাটক সাজিয়েছে। এলাকাবাসীর কাছেই জিজ্ঞেস করলে তারাই প্রকৃত ঘটনা বলবে। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।