অনলাইন ডেস্ক রিপোর্টঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঈদুল আজহায় কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটার সময় বিভিন্ন দুর্ঘটনায় প্রায় দেড়শ মানুষ আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আহতরা জেলা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা গ্রহণ করেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, অধিকাংশ আহত ব্যক্তি ধারালো ছুরি, দা ও অন্যান্য সরঞ্জাম ব্যবহারের সময় হাত-পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কেটে যান। এছাড়া কোরবানির পশুর লাথি ও ধাক্কায়ও কয়েকজন আহত হন।
জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা জানান, দিনভর হাসপাতালে আহতদের ভিড় ছিল। অনেকের ক্ষতস্থানে সেলাই দিতে হয়েছে। তবে গুরুতর আহত কেউ না থাকায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে সবাইকে বাড়ি পাঠানো হয়েছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, ঈদের দিন অতিরিক্ত রোগীর চাপ সামাল দিতে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে জরুরি বিভাগ ছাড়াও সার্জারি ইউনিট ও অপারেশন থিয়েটার প্রস্তুত রাখা হয়েছিল।
সচেতন মহলের মতে, কোরবানির সময় অসাবধানতা, অনভিজ্ঞতা এবং নিরাপত্তা সরঞ্জামের অভাবের কারণে এ ধরনের দুর্ঘটনা বাড়ছে। তাই পশু জবাই ও মাংস কাটার সময় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।