মোহাম্মদ,রাসেল(ইটনা-মিটামইন-অষ্টগ্রাম)কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
দীর্ঘ দিন পর পুনরায় শুরু হওয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৃত্তি পরীক্ষায় কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলায় দেখা গেছে হতাশাজনক চিত্র। নিবন্ধিত পরীক্ষার্থীদের প্রায় অর্ধেকই পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিল বলে জানা গেছে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে উপজেলার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তবে প্রথম দিনেই অংশগ্রহণ তুলনামূলক কম হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, পরীক্ষার জন্য নিবন্ধিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা সন্তোষজনক হলেও বাস্তবে উপস্থিতির হার ছিল প্রায় অর্ধেক। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরীক্ষা নির্ধারিত সময় ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত না হয়ে বিলম্বে আয়োজন করা হওয়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
পরীক্ষা কেন্দ্রে সরেজমিনে দেখা যায়, বেশ কিছু কক্ষে আসন ফাঁকা পড়ে আছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা জানান, অনেক শিক্ষার্থী পর্যাপ্ত প্রস্তুতির অভাবের কারণে পরীক্ষায় অংশ নেয়নি। এছাড়া অনেকে ইতোমধ্যে বিভিন্ন বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হয়ে যাওয়ায় তাদের আগ্রহ কমে গেছে।
অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘ বিরতির পর হঠাৎ করে বৃত্তি পরীক্ষা চালু হওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী সেভাবে প্রস্তুতি নিতে পারেনি। ফলে তারা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ থেকে বিরত থেকেছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে এম এহসানুল হক বলেন, “আমরা আশা করেছিলাম অংশগ্রহণ আরও বেশি হবে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত না হওয়ায় উপস্থিতির হার কমেছে। অনেক অভিভাবক কর্মস্থলের কারণে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে চলে গেছেন। আবার অনেক শিক্ষার্থী ইতোমধ্যে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হয়ে পড়ায় সামনে তাদের অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার প্রস্তুতির কারণে এই পরীক্ষার প্রতি আগ্রহ কমে গেছে।