নেত্রকোনা থেকে,কামরুল হাসান
নেত্রকোণা জেলার কলমাকান্দা উপজেলার রংছাতি ইউনিয়নের রামনাথপুর গ্রামের একটি কালভার্টের নিচের জায়গা বিক্রি করে পানি প্রবাহ নিয়ে বিতর্ক তৈরী করে জমি দখলের পায়তারায় লিপ্ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে রামনাথপুর গ্রামের আব্দুল মালেক নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা যায়, আরশাদ মিয়া নামে ব্যক্তির কাছে অভিযোগকারী আব্দুল মালেক বর্ডার রোডের ব্রিজের পানি প্রবাহের রাস্তা সংযুক্ত ১৮ শতাংশ জায়গা হজে যাওয়ার সময় সাফকাওলা মূলে বিক্রি করেন,যার দলিল নং২১১৯।
এনিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে জমিটি পুনরায় দখলে নেওয়ার উদ্দেশ্যে কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কার্যালয়ে পানির প্রবাহকে ঢাল করে সুপরিকল্পিতভাবে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আব্দুল মালেক বলে দাবি এলাকার নানা পেশার মানুষের।
ভূমি লোভি আব্দুল মালেক তার অভিযোগে লিখেছেন, মহিষখলা নদীর ব্রিজ থেকে রামনাথপুর ইনপোর্ট বাজারের মাঝখানে আরশাদ মিয়ার বাউন্ডারি করা বাড়ির উত্তর পার্শ্বের বর্ডার রোডের উপর নির্মিত একটি ব্রিজ রয়েছে। যে ব্রিজের মাধ্যমে পাহাড়ি ঢলসহ বৃষ্টির পানি প্রবাহ সুগম হতো। দুঃখজনক হলেও সত্য যে কিছুদিন আগে আরশাদ মিয়া ব্রিজের দক্ষিণ পার্শ্বে মাটি ভরাট করে ব্রিজের দক্ষিণ পার্শ্বের পানি চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় উক্ত এলাকার প্রায় ৫০টি পরিবার ও ১০০ একর জমির বোরো ফসল পানির নিচে পরে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে ব্রিজের দক্ষিণ ও উত্তর পার্শ্বের কৃষকদের ২/৩ হাজার মণ ধানী ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার সমুহ আশঙ্কা রয়েছে।
এব্যাপারে আরশাদ মিয়া ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, মালেক মিয়া আগেই আমার কাছে কালভার্টের জায়গা বিক্রি করেছেন, এখন নিজেই দক্ষিণ পাশে মাটিভরাট করেছেন। আমি বলতে গেলে লোকজন নিয়ে আমার উপর চড়াও হয়। আমি ঝামেলা করতে চাই না, তারা নিজেরা মাটি ভরাট করে আমাকে দোষ দিচ্ছেন এবং পুনরায় জমিটি দখলে নেওয়ার পায়তারা করছেন।
আমি জমিতে আসতে গেলে বাধা প্রয়োগ করছেন বলে দাবি করেন আরশাদ মিয়া। আরশাদ মিয়া সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এবিষয়ে জানতে চাইলে কলমাকান্দা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, বিষয়টি আমরা যাচাই-বাছাই করে যথাযথ পদক্ষেপ নিব।