আন্তর্জাতিক ডেস্ক
মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য উত্তেজনা বাড়তে থাকায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক প্রস্তুতি জোরদার হয়েছে। মার্কিন প্রশাসন অঞ্চলটিতে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা করছে, যার মধ্যে বিশেষায়িত ইউনিট ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনসহ প্রায় ১০ হাজার সেনা পাঠানোর বিষয় বিবেচনায় রয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে ইরান জানিয়েছে, সম্ভাব্য স্থলযুদ্ধ মোকাবিলায় তারা ১০ লাখের বেশি যোদ্ধা প্রস্তুত রেখেছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলীয় সীমান্ত দিয়ে কোনো মার্কিন অভিযান প্রতিহত করতে এই বিশাল বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যুদ্ধের প্রস্তুতিতে দেশটির তরুণদের ব্যাপক সাড়া মিলছে। হাজার হাজার যুবক স্বেচ্ছায় বাসিজ, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এবং নিয়মিত সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার জন্য আবেদন করছে। ইরান এই জনবলকে তাদের বড় শক্তি হিসেবে বিবেচনা করছে এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়েছে।
অন্যদিকে, ইসরায়েলি বাহিনী জনবল সংকটে পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। লেবানন সীমান্তে হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘর্ষ এবং সম্ভাব্য বহুমুখী যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে অতিরিক্ত সেনার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। দেশটির সামরিক নেতৃত্ব সতর্ক করে বলেছে, বাড়তি চাপের কারণে বাহিনীর সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, একদিকে ইরান বৃহৎ জনবল নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধের প্রস্তুতি নিচ্ছে, অন্যদিকে ইসরায়েলকে ক্রমবর্ধমান সামরিক চাপ সামাল দিতে নতুন কৌশল গ্রহণ করতে হতে পারে।
সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি