মোঃ আসিফুজ্জামান আসিফ নিজস্ব প্রতিবেদক
সাভার উপজেলার আশুলিয়ায় দারুল ইহসান ট্রাস্ট রেজিস্ট্রেশন নং: ১৪২৮৫/১৯৮৬ কর্তৃক পরিচালিত 'তাহ্ফিজুল কুরআনিল কারিম ফাযিল মাদরাসা' ও সৈয়দ আসিয়া আশ্রাফ মহিলা মাদ্রাসার সম্পত্তি দখল করে দুর্বৃত্তরা সেখানে মাদকের আখড়া বানিয়ে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড চালিয়ে আসছে।
প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে থাকা বিভিন্ন দোকানের ভাড়া নিজেরা আদায় করছে। সেখানে মাদরাসার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যেতে বাধা দিচ্ছে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়া অব্যাহত রেখেছে। দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে প্রতিষ্ঠানটিকে বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্টদের জরুরী হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন দারুল ইহসান ট্রাস্টি কর্তৃপক্ষ।
দারুল ইহসান ট্রাস্টি কর্তৃপক্ষ জানায়, সাভারের আশুলিয়ার গণকবাড়ীতে ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত তাহ্ফিজুল কুরআনিল কারিম ফাযিল মাদরাসা ও সৈয়দ আসিয়া আশ্রাফ মহিলা মাদ্রাসা এর নিজস্ব স্থাপনাসমূহ স্ট্রাস্টের সভাপতি দাবিকারী মামলার আসামী জনৈক মোহাম্মদ ফয়যুল কবীর, সাধারণ সম্পাদক দাবিকারী মুহাম্মদ ওসমান গণী, বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ আব্দুল মোমেন ও তার সহযোগিরা জোড়পূর্বক মাদরায় প্রবেশ করে মূল প্রবেশ গেটে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যানার টানিয়ে সার্টিফিকেট বাণিজ্যের পাঁয়তারা করছে।
ট্রাস্টি কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, মরহুম ড. সৈয়দ আলী আশরাফের ভাতিজা সৈয়দ আলী রায়হান ওরফে রুন্নান ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী সানজিদ হোসেন, ইমরান হোসেন, রুবেল, ইমাম হাসান ও লেমনসহ তাদের সহযোগিরা লাঠি-সোটা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে গত ১০ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টার দিকে অবৈধভাবে মাদরাসা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে। তারা মাদরাসার কার্যক্রমে বাধা প্রদান করছে এবং তারা জোড়পূর্বক মাদরাসার মালিকানাধীন মার্কেট ও কাঁচাবাজারের দোকানপাটের ভাড়া আদায়ের চেষ্টা করছে।
সেখানে অবস্থান গ্রহণ করে সন্ত্রাসীরা গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টায় ট্রাস্টের নিয়োগ করা এসেট ম্যানেজার কাম রেন্ট কালেকশন এজেন্ট জাকির হোসেনকে মাদরাসায় প্রবেশে বাধা দেয় সন্ত্রাসীরা। পরে তারা তাকে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে এবং তার কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে।
এমতাবস্থায় সমাজবিরোধী দুর্বৃত্ত, চাঁদাবাজ ও গণশত্রুদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে মাদরাসার ভবন ও সম্পত্তির জবরদখলকারী, চাঁদাবাজ ও ফৌজদারী মামলার আসামীদের গ্রেপ্তার করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি জোড় অনুরোধ জানায় দারুল ইহসান ট্রাস্টি বোর্ড।