নিউজ ডেস্ক
বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার পদ। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিজ্ঞ ও গ্রহণযোগ্য নেতাদের মধ্য থেকেই এই গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদে একজনকে বেছে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে।
বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার নাম উঠে এসেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান এবং ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। এছাড়া সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. ওসমান ফারুকের নামও আলোচনায় রয়েছে।
দলীয় নেতাদের মতে, সংসদ পরিচালনায় অভিজ্ঞতা, রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা এবং সাংবিধানিক বিষয়ে দক্ষতাকে গুরুত্ব দিয়ে স্পিকার নির্বাচন করা হবে। অতীতেও বিএনপি সরকারে আইনজীবী বা অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদদের এই পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, আগামী ১২ মার্চ বা তার কাছাকাছি সময়ে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসতে পারে। অধিবেশনের শুরুতেই স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
এদিকে রাজনৈতিক সমঝোতার অংশ হিসেবে ডেপুটি স্পিকার পদে বিরোধী দল থেকে একজনকে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে। এ ক্ষেত্রে বিরোধী দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে নাম প্রস্তাব করা হতে পারে বলে জানা গেছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, জ্যেষ্ঠতা, অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক কৌশল বিবেচনায় নিয়ে শেষ পর্যন্ত বিএনপি কাকে স্পিকার হিসেবে মনোনীত করে তা জানতে ১২ মার্চ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।