জেনিভা প্রিয়ানা: বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি
আন্দোলনের ইতিহাস হল যুগে যুগে এ আন্দোলনের কর্মীদের ত্যাগ ও কুরবানীর ইতিহাস। বিগত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী শাসনামলে আমিরে জামায়াত ও সেক্রেটারি জেনারেল সহ জামায়াতের প্রথম সারির নেতারা শাহাদাতের নজরানা পেশ করে এদেশে ইসলামী আন্দোলনের পথকে আরো সুগম করেছেন। তাদের ত্যাগের পথ ধরে বাংলার জমিনে ইসলামী আন্দোলন আরো মজবুতি অর্জন করেছে। দেশে একটি সত্যিকারের ইসলামী বিপ্লব সাধনে শপথের কর্মীদের সব সময় জীবন উৎসর্গ করার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। দেশ বিরোধী সকল দেশী ও বিদেশি ষড়যন্ত্র রুখে দিতে রুকন ভাইয়েরা সাদা প্রস্তুত থাকবে।
সভাপতির বক্তৃতায় মাওলানা রেজাউল করিম বলেন জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশকে ইসলামী অনুশাসনের মাধ্যমে একটি আদর্শিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। এজন্য জামায়াতের সকল জনশক্তিকে জনগণের সামনে ইসলামের সুমহন আদর্শ তুলে ধরতে হবে। একটি আদর্শ ও জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র তৈরি করার জন্য সংগঠনের দাওয়াতকে মানুষের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দিতে হবে। আর এজন্যই রুকনদের এই প্রশিক্ষণের আয়োজন। একদল প্রশিক্ষিত কর্মীবাহিনী পারে সমাজ ও রাষ্ট্রকে গঠন করতে।এজন্য রুকনগণ তাদেরকে পরিশুদ্ধ করে জীবন ও সম্পদের সর্বোচ্চ ত্যাগের মাধ্যমে আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীন কায়েমে সচেষ্ট থাকবে।