চট্টগ্রামের চন্দনাইশ থেকে র্স্টাফ রির্পোটার আবিদুর রহমান বাবুল
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে প্রবাসীর স্বর্ণ আত্মসাৎ এর প্রতিবাদ মিথ্যা মামলায় হয়রানি বন্দের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। রবিবার বিকাল ৩ টায় উপজেলার বাগিচার হাট আরফাত হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টে এই সংবাদ সম্মেলন হয়। জানা যায় ডুবাই প্রবাসী মোঃ সাইফুদ্দীন বাড়িতে তার স্ত্রীর নিকট স্বর্ণ পাঠানোর জন্য ছোট ভাই প্রবাসী জাহেদের মাধ্যমে সাইফুল তার বন্ধু প্রবাসী মাসুদুল আলমের নিকট ৮ ভরি স্বর্ণালংকার একটি আইপ্যাড আমানত হিসাবে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য দেন। যার মূল্য দেশীয় মুদ্রায় ১০,২০,৯০০ টাকা। কিন্তু মাসুদুল আলম ৭ই জানুয়ারি দেশে আসলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেন। ৯ই জানুয়ারি মাসুদুল আলমের স্ত্রীর সাথে যোগাযোগ করা হলে সে জানায় তার স্বামীকে কে বা কারা সাড়ে ৮ ভরি স্বর্ণালংকার ও একটি আইপ্যাড সহ অপহরণ করে কুমিল্লা নিয়ে গেছে। আমরা কুমিল্লা যাওয়ার চেষ্টা করলে মাসুদুল এর স্ত্রী খুশি সুকৌশলে স্বর্ণালংকার ও আইপ্যাড আত্মসাৎ করার পরিকল্পনা পরবর্তীতে আমরা বুঝতে পারি। মাসুদুল আলম বাড়িতে আছে সংবাদ পেয়ে আমি আমার বড় ভাই খোরশেদুল আলম (এম. ইউ. পি), দিদারুল আলম ও একজন চৌকিদার সহ বাড়িতে উপস্থিত হয়ে মাসুদুল এর সাথে কথা বললে সে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মালামাল ফেরৎ দেওয়ার কথা স্বীকার করেন। পরবর্তীতে মাসুদুল আলম না দেওয়ার জন্য তালবাহানা শুরু করলে আমি চন্দনাইশ থানায় একখানা অভিযোগ দায়ের করি। এছাড়াও বিজ্ঞ চীফ জুডিশিয়াল চট্টগ্রাম হাকিম এর আদালতে মাসুদুল আলম (৪০) স্ত্রী মোছাম্মৎ খুশি আক্তার (৩৫) মোছাম্মৎ কুলছুম(৩৫) পিতা- আহমুদুর রহমান, সর্বসাং - সাতবাড়িয়া তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিলে তারা ষড়যন্ত্র মূলক ভাবে মাসুদুল আলম বাদী হয়ে আমাকে ও আমার পরিবারের অন্যাদের বিরুদ্ধে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত চট্টগ্রামে একটি মামলা দায়ের করেন। সি আর মামলা নং ৩১। অপর মামলাটি সাইফুল আলমের স্ত্রী খুশি আক্তার বাদী হয়ে অপর একটি মামলা চট্টগ্রাম চীফ জুটিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালতে আমি ও আমার পরিবারের সকলকে আষামী করে দায়ের করেন। মামলা নং ৫০। প্রতিনিয়ত তারা আমাকে ও আমার পরিবারকে হয়রানি করছে। আমি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রশাসনের নিকট ন্যায় বিচার চাই। প্রশাসন যাতে আমার স্বর্ণালংকার ও আইপ্যাড উদ্বার করে দিতে পারেন। প্রশাসনের নিকট এই আবেদন করছি।