1. stbanglatv@stbanglatv.com : stbanglatv : stbanglatv
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
কালিয়ায় ভূমি অফিসের পাশে সরকারি খাস জমি দখল করে কয়েকটি বাড়ি নির্মাণ। - Stbanglatv.com
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ন

কালিয়ায় ভূমি অফিসের পাশে সরকারি খাস জমি দখল করে কয়েকটি বাড়ি নির্মাণ।

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬
  • ৪২ Time View

 

বিশেষ প্রতিনিধিঃ চৌধুরী জুয়েল রানা

কালিয়ার পহরডাঙ্গা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের পাশে সরকারি ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত জমি দখল করে তিনটি বাড়ি বাড়ি নির্মান করা হচ্ছে। আর এসব বাড়ি নির্মান করা দেখে ও না দেখার ভান করে আছেন ভূমি অফিসের নায়েব ফারজানা আক্তার দোলা।নির্মান কাজ বন্ধে নেয়নি কোনো কঠোর ব্যাবস্থা।

স্থানীয় ভূমি অফিস সংলগ্ন এলাকায় প্রকাশ্যে নির্মাণকাজ চললেও প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেই বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায়, চাপাইল ঘাটের চাপাইল ব্রিজের নিচে চাপাইল মৌজার ১ নং খাস খতিয়ানভুক্ত আরএস ৪৪৭ দাগে সরকারের নামে ১ শতক জমি রেকর্ড আছে। ৪৪৬ দাগের এসএ ২৪৮ খতিয়ানের ১১ শতক জমিতে রেকর্ড নিয়ে বাড়ি নির্মান করা শুরু করেন লেয়াকত ভূইয়া।তবে জানা যায় লেয়াকত ভূইয়ার ঐ রেকর্ডটি ভূয়া। সিএস খতিয়ানে জমি নদী শ্রেণীভূক্ত হওয়ায় জমির মালিক সরকার।লেয়াকত ভুইয়ার বাড়ির পাশে আরেকটি খাস খতিয়ান ভুক্ত জমিতে একতলা ভবন নির্মান শুরু করেন চাপাইল গ্রামের মহিদ শেখের বোন লাচ্ছি বেগম। বর্তমানে ভবনের ছাদ ঠালাইযের কাছ শেষ।ঐ ভবনের পাশে আরেকটি গোয়ালঘর নির্মান কাজ শুরু করেন দুলাল গাজি।তার ঘরটিরও অর্ধেক কাজ সম্পূর্ণ করেন।পহরডাঙ্গা ভূমি অফিস থেকে প্রায় ৫০০ ফিটের মধ্যে অবস্থিত। গত কয়েক মাস ধরে ওই জমি গুলোর উপর ভবন ঘর নির্মান শুরু করেন। অভিযোগ রয়েছে,পহরডাঙ্গা  ইউনিয়ন ভূমি উপ সহকারী কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার দোলা ও চাপাইল গ্রামের দালাল মোঃ সেলিম মোল্লার ছত্রছায়ায় এ দখল কার্যক্রম চলছে। দালাল সেলিমের মাধ্যমে টাকা লেনদেনের মাধ্যমে এসব ভবন ঘর নির্মান করা হচ্ছে। টাকা দিলে চলে নির্মান কাজ আবার টাকা না দিলে কাজ বন্ধ রাখতে বলে

সরেজমিনে দেখা যায়,লেয়াকত ভূইয়ার ভবন নির্মাণকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। আর লাচ্ছি বেগমের ভবনের ছাদ ঠালাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে।

এ বিষয়ে লাচ্ছি বেগমের ভাই মহিদ শেখ বলেন,জমিটি আমাদের নামে এসএ রেকর্ড অনুযায়ী বন্দোবস্ত নেয়া।আরএস রেকর্ড নাই।সরকারের সাথে মামলা চলছে আদালতে।মামলা অবস্থায় ভবন নির্মান কাজ কিভাবে চলমান আছে জানতে চাইলে তিনি এড়িয়ে যান

সরকারি জমিতে ভবন নির্মানের বিষয়ে লেয়াকত ভূইয়ার কাছে জানতে চাইলে বলেন, ১শতকে মতো জমি খাস আছে।তবে তিনি ভূমি অফিসের দালাল সেলিমের মাধ্যমে নায়েবকে ম্যানেজ করে নির্মান কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। ভবন কাছ শুরু করার সময় নায়েব ও এসিল্যান্ডকে ম্যানেজ করার জন্য ৫০ হাজার টাকা চাই সেলিম।তার কথা মতো টাকা দিয়ে কাজ চালায়।এখন সে আরো ২০ হাজার টাকা চাচ্ছে।

অভিযোগের বিষয়ে পহরডাঙ্গা ইউনিয়ন ভূমি উপ সহকারী কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার দোলা ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হয়নি।তবে তিনি নিজের সম্পৃক্ততা কথা অস্বীকার করে বলেন, বাড়ি নির্মাণের বিষয়টি তিনি আগে জানতেন না।সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রথমে জানতে পারেন। দুলাল গাজি,মহিদ শেখ,লেয়াকতকে কাজ বন্ধ রাখতে বলেছি।এসিল্যান্ড স্যারকে জানিয়েছি। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কাজ বন্ধ রাখতে বলার পরে ও কাজ চলছে কিভাবে জানতে চাইলে বলেন’ এখন কি আমি বাড়ি বাড়ি যেয়ে বসে থাকবো কখন ওনারা কাজ করবে।

কালিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শ্রাবণী বিশ্বাসের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি রিসিভ করেননি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিন্নাতুল ইসলামের মুঠোফনে কল দিলে তিনি বলেন বিধি মোতাবেক ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2023

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি