
বিস্তারিত থাকছে হুমায়ূন রশিদ জুয়েলের প্রতিবেদনে
রবিবার (১ মার্চ) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পৃথক স্থানে পাগলা কুকুরের এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে পুরো এলাকায় কুকুরের কামড় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি বেওয়ারিশ কুকুর হঠাৎ করে পথচারী ও বসতবাড়ির আশপাশে মানুষের ওপর আক্রমণাত্মক আচরণ শুরু করে। শিশু, নারী ও বৃদ্ধসহ মোট ১৭ জনকে কামড়ে আহত করে কুকুরটি। একের পর এক কুকুরের হামলায় স্থানীয়রা চরম উদ্বেগেে পড়েন এবং অনেকে নিরাপত্তার জন্য ঘরে অবস্থান নেন।
আহতদের দ্রুত তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও রেবিস প্রতিরোধী টিকা প্রদান করেন।
তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ শাহানুর রহমান শুভ এস টি বাংলা টিভিকে জানান, কুকুরের কামড়ে আহতদের পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং তারা বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত। তবে গুরুতর আহত ৪ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যারা কুকুরের কামুরে আক্রান্ত হয়েছেন তাদেরকে অবশ্যই ভ্যাকসিন নিতে হবে অন্যথায় বিপদজনক।
এদিকে রাত ৮টার দিকে স্থানীয় জনগণ কুকুরটিকে পূর্ব সাচাইল গ্রামে ধরে ফেলে। পরে উত্তেজিত জনতা কুকুরটির মৃত্যু নিশ্চিত করে একটি আনন্দ মিছিল প্রকাশ করে।
এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে তাড়াইলে। প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় এমন ঘটনা ঘটছে বলে তারা অভিযোগ করেন। দ্রুত কুকুর নিয়ন্ত্রণ ও টিকাদান কর্মসূচি জোরদারের দাবি জানান স্থানীয়রা।
তাড়াইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানজিলা আখতার জাতীয় দৈনিক ভোরের আকাশকে জানান, কুকুরের কামড়ের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
© All rights reserved © 2023
Leave a Reply